সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিজিবির অভিযানে যশোরে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক-১ ‎ পলাশ বাড়ি উপজেলায় শ্রী হরিদাস চন্দ্র হুন্ডিতে ৯ কোটি টাকার বেশি মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ, মন্দির প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস গ্রেফতার ঢাকা দোহার উপজেলা নির্বাচন তৃণমূল থেকে উঠে আসা ফজলুল হক বেলায়দীকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া- বাঁশখালী পানি বন্দি মানুষের পাশে এনসিপি গাইবান্ধায় ডিবির অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নরসিংদীর শিবপুরে মুঃ আব্দুর রহিম এর সভাপতিত্বে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত। বাঁশখালীতে দুইটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও ট্রলিং জালসহ ৩৭ জনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড  মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের অভিযান; পতেঙ্গা ৪০০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ বন্দরটিলায় খালের উপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও‌ ময়লা- আবর্জনা অপসারণ করলেন চসিকের ম্যাজিস্ট্রেট ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিক্স পণ্য জব্দ ‎

পলাশ বাড়ি উপজেলায় শ্রী হরিদাস চন্দ্র হুন্ডিতে ৯ কোটি টাকার বেশি মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ, মন্দির প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস গ্রেফতার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ   স্টাফ রিপোর্টার

হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরনীদাসকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা পশ্চিম থানায় সিআইডির দায়ের করা মামলার পর গাইবান্ধা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ঢাকায় এনে বর্তমানে মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) সিআইডির আবেদনের পর রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪(২) ধারায় হরিদাস চন্দ্র তরনীদাসসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ডিএসবি গাইবান্ধার তথ্য ও সিআইডির নির্দেশনার ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ২ জুলাই অভিযোগটির অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়, হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং হুন্ডি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

সিআইডির অনুসন্ধানে অভিযুক্তের নামে পাঁচটি ব্যাংক হিসাব এবং চারটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব হিসাবে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা এবং ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫২৮ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়।

এজাহারে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবসাবহির্ভূতভাবে এসব হিসাবে নগদ অর্থ জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে মো. সুজন নামে এক ব্যক্তি ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্তের একাধিক ব্যাংক হিসাবে মোট ২ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা জমা দেন, যা প্রাথমিকভাবে হুন্ডির অর্থ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

সিআইডির দাবি, অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করে অপরাধলব্ধ অর্থ অর্জন করেছেন। পরে সেই অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থের প্রকৃত উৎস, মালিকানা ও অবস্থান গোপন করে নামে-বেনামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতিতে লন্ডার করা অর্থের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এদিকে গ্রেপ্তার হরিদাস চন্দ্রকে মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews