
মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে গত দেড় দশকে পাহাড় ও বনাঞ্চল কেটে হাতির চলাচল পথ বন্ধ কিংবা সংকুচিত করার অনেক ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে বন্যহাতি বার বার লোকালয়ে চলে আসে। এতে করে হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব বেড়েছে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ফলে পরস্পরের যুদ্ধাংদেহী মনোভাবে মানুষ এবং হাতি উভয়ই মারা পড়ছে।
এ অঞ্চলে ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭১ টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। শুধু হাতির মৃত্যু নয়, মৃত্যুর পর হাতির দাঁতসহ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। একই সময়ে সারা দেশে হাতির আক্রমণে মারা গেছে ১০৮ জন। বেশিরভাগ হাতির মৃত্যু হয় বৈদ্যুতিক ফাঁদে। এসব ঘটনায় মামলা হয়। কিন্তু এসব মামলায় শাস্তির নজির খুব একটা নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতির করিডর বা চলাচলের পথ রুদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য সংকটের কারণে তারা লোকালয়ে চলে আসে। মানুষের বাড়িঘরে হামলা এবং ফসলি জমি নষ্ট করে থাকে। এ কারণে মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব বাড়ছে। এই দ্বন্দ্ব নিরসনে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও হাতি মৃত্যু থেমে নেই।
বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য বলেছেন, ৭১টি হাতি মারা গেছে ছয় বছরে। হাতি মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়। চট্টগ্রামের একটি মামলা চার্জগঠন পর্যায়ে রয়েছে। বাকি বিভাগগুলোর তথ্য জানি না।
তিনি আরও বলেছেন, ‘হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। হাতির করিডর ধ্বংস করার কারণে তারা লোকালয়ে চলে আসে। ‘