সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পণ্যজটে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতার ৪০ শতাংশ অকার্যকর,অর্থনীতিতে বাড়ছে নেতিবাচক প্রভাব বন্দর ইজারা ইস্যুতে সরকারকে জনগণের কথা শুনতে হবে: বন্দর রক্ষা কমিটি Türkiye’de slot severlerin tercihi haline gelen Alev casino güncel giriş platformu আজকের অনুশীলন পরিদর্শন করেছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান (সিআরএ)’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রুবেল আহ্বায়ক সাইফুদ্দিন রমিজ সদস্য সচিব ১৮ দিনে তিন জাহাজে জলদস্যু হামলা, ১০ কোটি টাকার লুট বহির্নোঙরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন শঙ্কায় চট্টগ্রাম বন্দর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যানে যুক্ত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা কেয়া বৃত্তি ও গুণীজন সংবর্ধনা: দুই যুগ ধরে মেধা বিকাশ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান; মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সারসহ ২৩ পাচারকারী আটক চট্টগ্রামে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গোসাইলডাঙ্গা যুবক গোষ্ঠী

বন্দর ইজারা ইস্যুতে সরকারকে জনগণের কথা শুনতে হবে: বন্দর রক্ষা কমিটি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

এনসিটি-সিসিটিসহ কোনো স্থাপনা ইজারা না দেওয়ার দাবি, ১৫ আগস্ট নাগরিক কনভেনশনের ঘোষণা

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, সিসিটিসহ অন্যান্য স্থাপনা দেশি-বিদেশি মালিকানায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বন্দর ইজারার প্রশ্নে সরকারকে অবশ্যই জনগণের কথা শুনতে হবে এবং জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

০৩ আগস্ট(সোমবার) দুপুরে নগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে বন্দর অভিমুখে ‘বন্দর বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম। কর্মসূচির আগে বাদামতলী মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি তপন দত্ত বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে বন্দর রক্ষার আন্দোলন চলছে এবং শ্রমিকরা কোনোভাবেই বন্দর ইজারা দিতে দেবেন না। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারের উচিত জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া। ভুল সিদ্ধান্ত নিলে অতীতের মতো রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। জনগণের অর্থে নির্মিত কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি অভিযোগ করেন, বন্দর পরিচালনায় কর্তৃপক্ষের অদক্ষতার দায় শ্রমিকদের ওপর চাপিয়ে ইজারার পথ তৈরি করা হচ্ছে। এ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, একই দাবিতে আগামী ১৫ আগস্ট একটি নাগরিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে।

ডক বন্দর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম উদ্দিন সেলিম বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যেই এ আন্দোলন। তার দাবি, বন্দর পরিচালনায় দেশীয় জনবলই যথেষ্ট সক্ষম এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন নেই।

টিইউসির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সরকারের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হওয়া উচিত। তার ভাষ্য, বন্দর দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই কোনো অবস্থাতেই এটি বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।

বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাবেশে শ্রমিক দলের বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহারসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews