
সেলিম রেজা তাজ, বেনাপোল,যশোর:
খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিমূলক অভিযানে ৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় ও বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা কার্যালয়ের ৬টি টিম এসব অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়।
খুলনা মহানগরীর সদর থানার শের-এ-বাংলা রোড এলাকায় খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় যথাযথ সেবা না দেওয়ায় তাক্বওয়া ডেন্টাল কেয়ারকে ৩ হাজার টাকা এবং পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় রীমা মটরসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একইভাবে সহকারী পরিচালক দিনারা জামানের নেতৃত্বে নগরীর ময়লাপোতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় এস এস লাইভ বেকারিকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স টগর এন্টারপ্রাইজকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
যশোর সদর উপজেলার বাবলাতলা বাজারে জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় জামাল হোটেলকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মদনপুর বাজারে সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীরের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে মআ মেডিকেল হলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মশান বাজারে সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুম আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় শাহাদাত স্টোরকে ৬ হাজার টাকা এবং আনোয়ার স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া বাগেরহাট সদর উপজেলার ঘোষপট্টি বাজারে সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে আসিম মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে মোট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।