শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Welke levert de webplatform Znaki te bieden? Welke levert de webplatform Znaki te bieden? শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী জাহাজের বাংলাদেশে আগমন ‎যশোর সীমান্তে ৪ হাজার ইয়াবাসহ ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক, গ্রেপ্তার ১ মাতামুহুরী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, তিন ডাম্পার জব্দ লোহাগাড়ায়’এক রাতে পাশাপাশি পাঁচ বাড়িতে ডাকাতি, জিম্মি করে ঘরে সর্বস্ব লুট Best No GamStop Casino UK A Practical Guide for Players সবাই কে পিছনে ফেলে মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ ও রেলওয়ে স্টেশন কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় ফাইনালে পৌঁছেছে নরসিংদীর শিবপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোমেনকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-১১ মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনিয়মে খুলনায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা ‎ ‎

লোহাগাড়ায়- জামায়াত নেতার মাদ্রাসায় মিলল সরকারি ধানের বীজ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা ১৩ বস্তা আমন ধানের বীজ একটি মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে বীজগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত শামসুল ইসলাম হেলালী চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির এবং একই সঙ্গে জামেউল উলুম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা পরিদর্শনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ সুপারের কার্যালয়ের পাশের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সন্দেহ হলে কক্ষটি খুলতে বলা হয়। পরে সেখানে ১৩ বস্তা আমন ধানের বীজ পাওয়া যায়। লোহাগাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম জানান, প্রায় ২০ দিন আগে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য এসব বীজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। চরম্বা ইউনিয়নটি দূরবর্তী হওয়ায় কৃষকদের দুই প্রতিনিধির মাধ্যমে বীজগুলো পাঠানো হয়। প্রায় ১৫ দিন আগেই এসব বীজ কৃষকদের মধ্যে বিতরণ হওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন, বীজগুলো কেন সময়মতো বিতরণ করা হয়নি এবং কীভাবে তা একজন রাজনৈতিক নেতার কাছে গিয়ে মাদ্রাসায় সংরক্ষিত ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে শামসুল ইসলাম হেলালী দাবি করেন, তাদের কাছে মোট ১৭ বস্তা বীজ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে চার বস্তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি বীজগুলো মাদ্রাসায় রাখা হয়েছিল। ব্যস্ততার কারণে সেগুলো আর বিতরণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ বলেন, উদ্ধার করা বীজগুলো ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদ্রাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি বরাদ্দের কৃষি উপকরণ যথাসময়ে এবং সঠিকভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছেছে কি না, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews