শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Welke levert de webplatform Znaki te bieden? Welke levert de webplatform Znaki te bieden? শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী জাহাজের বাংলাদেশে আগমন ‎যশোর সীমান্তে ৪ হাজার ইয়াবাসহ ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক, গ্রেপ্তার ১ মাতামুহুরী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, তিন ডাম্পার জব্দ লোহাগাড়ায়’এক রাতে পাশাপাশি পাঁচ বাড়িতে ডাকাতি, জিম্মি করে ঘরে সর্বস্ব লুট Best No GamStop Casino UK A Practical Guide for Players সবাই কে পিছনে ফেলে মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ ও রেলওয়ে স্টেশন কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় ফাইনালে পৌঁছেছে নরসিংদীর শিবপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোমেনকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-১১ মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনিয়মে খুলনায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা ‎ ‎

লামায় ৪০ ইটভাটায় চলছে পাহাড় ধ্বংসের মহোৎসব, নেপথ্যে মোক্তার-নাজু সিন্ডিকেট

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮২ বার পড়া হয়েছে
  1. মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ইটভাটার মাটির চাহিদা মেটাতে দেদারসে চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব। পরিবেশ আইন তোয়াক্কা না করে এক্সকাভেটর (বেকু) দিয়ে একের পর এক পাহাড় কেটে সাবাড় করা হচ্ছে, যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, ‘মোক্তার আহমদ-নাজমুল ইসলাম নাজু’ নামের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনকে অসাধু উপায়ে জিম্মি ও ম্যানেজ করে এই পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। লামা উপজেলায় প্রায় ৪০টিরও বেশি ইটভাটা সক্রিয় রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষার মধ্যেই বড় বড় পাহাড়ের ঢাল কেটে খাড়া করে ফেলা হয়েছে এবং নিচে মাটির বিশাল স্তূপ জমা করা হচ্ছে ভাটায় নেওয়ার জন্য। বর্ষাকালে পাহাড় কাটায় অতিবৃষ্টিতে যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ ভূমিধসের বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে অধিকাংশ ইটভাটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লোকালয় ও বনাঞ্চলের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালা ও অ্যালার্জিতে ভুগছেন। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে প্রতিদিনই।

পরিবেশবাধীদের মতে, এসব ভাটার ধোঁয়া ও রাসায়নিক নির্গমনের কারণে মাটি হারাচ্ছে উর্বরতা, কৃষি উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং পাখি ও ক্ষুদ্র প্রাণী হারাচ্ছে তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জানতে চাইলে ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোক্তার আহমদ বলেন, ‘সিন্ডিকেটের বিষয়টি সত্যি নয়। তবে কিছু কিছু ইটভাটায় পাহাড় কাটা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল হাসান সজীব বলেন, “আমি বান্দরবানে যোগদানের পর গত তিন মাসে অবৈধ ইটভাটা ও পাহাড় কাটার দায়ে ২৬ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছি। এ সময়ে পাঁচটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান চলমান রয়েছে।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews