সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জ১৬ আগস্ট কটিয়াদী যাবেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন সাজা ২৪ ঘণ্টায় ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ: চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অনন্য রেকর্ড দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় জিতেছে মিরসরাইয়ে মসজিদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোতােয়াল্লী ইউসুফের সংবর্ধনা‌য় এমপি আমিন সেবাবান্ধব পুলিশ গঠনে সিএমপির ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোল শূন্য ড্র করেছে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় দল চট্টগ্রামে নালা থেকে ১ হাজার ৩২০টি ব্যবহৃত গুলি উদ্ধার সারাদেশে আলোচিত ‘হানি ট্র্যাপ’: চট্টগ্রামে চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)’র প্রীতিলতা হল সম্মাননা উৎসব’ -২০২৬ অনুষ্ঠিত

২৪ ঘণ্টায় ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ: চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অনন্য রেকর্ড

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম:

আমরা কারও ওপর চাপ সৃষ্টি করে বা জোরপূর্বক পরিচ্ছন্ন করাতে চাই না। আমরা পরিচ্ছন্নতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে চাই।

পুরো মাসজুড়ে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। কোথা থেকে কতটুকু বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে, তার তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনেই জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সরকারি আবাসিক এলাকা, উপজেলা পর্যায়ের ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এ অভিযানে প্রায় ৬ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

শনিবার(২৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এরপর জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের আওতায় রয়েছে ১৩১টি সরকারি দপ্তরের ৪১৬টি ভবন, আটটি সরকারি আবাসিক এলাকার ১০৮টি ভবন, উপজেলা পর্যায়ের ৪০৬টি ভবন এবং ২ হাজার ২৯৫টি বিদ্যালয়। সব মিলিয়ে ৩ হাজার ২২৫টি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ছাদ, আঙিনা ও আশপাশের জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “আমরা কারও ওপর চাপ সৃষ্টি করে বা জোরপূর্বক এটি করাতে চাই না। আমরা পরিচ্ছন্নতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে চাই।

তিনি আরও জানান, এই কর্মসূচি শুধু উদ্বোধনী দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; পুরো মাসজুড়ে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। কোথা থেকে কতটুকু বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে, তার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার আগে ও পরের ছবি সংরক্ষণ করে অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, “কী পরিমাণ ময়লা অপসারণ ও সংগ্রহ করা হলো, তার প্রতিবেদন নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভবনের আগের চিত্র কী ছিল এবং পরিচ্ছন্নতার পর কী পরিবর্তন হলো, সেই ছবিগুলোও আমরা সংগ্রহ করছি। সে অনুযায়ী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

জেলা প্রশাসনের দাবি, বিপুলসংখ্যক মানুষকে সম্পৃক্ত করে এক দিনে ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে বড় পরিসরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews