শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Welke levert de webplatform Znaki te bieden? Welke levert de webplatform Znaki te bieden? শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী জাহাজের বাংলাদেশে আগমন ‎যশোর সীমান্তে ৪ হাজার ইয়াবাসহ ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক, গ্রেপ্তার ১ মাতামুহুরী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, তিন ডাম্পার জব্দ লোহাগাড়ায়’এক রাতে পাশাপাশি পাঁচ বাড়িতে ডাকাতি, জিম্মি করে ঘরে সর্বস্ব লুট Best No GamStop Casino UK A Practical Guide for Players সবাই কে পিছনে ফেলে মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ ও রেলওয়ে স্টেশন কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় ফাইনালে পৌঁছেছে নরসিংদীর শিবপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোমেনকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-১১ মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনিয়মে খুলনায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা ‎ ‎

প্রধানমন্ত্রীর শনিবার কক্সবাজার সফর, উন্নয়ন উদ্বোধন ও জনসভাসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
  1. স্টাফ রিপোর্টারঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, রাজনৈতিক জনসভা, সুধী সমাবেশ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে কক্সবাজার, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, টেকনাফজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সকালে কক্সবাজারে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে চকরিয়া উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে এ খালের খননকাজের সূচনা করেছিলেন। বাবার সেই স্মৃতিবিজড়িত প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধনের পর সেখানে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পাতলী খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে চকরিয়া ও পিএমখালী এলাকার অন্তত দুই লাখ মানুষ জলাবদ্ধতা ও সেচ সুবিধার ক্ষেত্রে সরাসরি উপকৃত হবে। একই সঙ্গে এলাকাবাসী সেখানে ‘জিয়া স্মৃতি পার্ক’ নির্মাণের দাবিও জানিয়েছেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন। সেখানে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রতীকী বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সরকারের আগামী পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশব্যাপী একযোগে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া উপজেলার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন। পরে তিনি শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেবেন এবং রাষ্ট্রীয় সহায়তা কার্যক্রমের বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

একই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা, মাতামুহুরী উপজেলা এবং মাতামুহুরী থানার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। স্থানীয়দের মতে, নতুন প্রশাসনিক ইউনিটগুলো চালু হলে এলাকার জনগণ সরকারি সেবা আরও সহজে ও দ্রুত পাবে।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী চকরিয়া উপজেলা বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। জনসভায় কক্সবাজার, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই জনসভা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অগ্রগতি প্রতিবেদন গ্রহণ করবেন।

সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরে জেলার বিশিষ্ট নাগরিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি কক্সবাজারের উন্নয়ন, পর্যটন খাতের সম্ভাবনা, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিটি কর্মসূচি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

জেলা বিএনপির নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে কক্সবাজারের অবকাঠামো, পর্যটন, কৃষি ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে জেলার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির বাস্তবায়নেও ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews