
পটিয়া প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের পটিয়ায় পর্যটক ও বাইকার সেজে মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচারের সময় ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ‘বাইকার গ্যাং’-এর ৬ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৭। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-کক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার ডাকবাংলো ও সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দেখলে মনে হয় সবাই শখের বাইকার। একসাথে দূরপাল্লার বাইক চালায়। বাস্তবে তারা ইয়াবা কারবারি। র্যাব-৭ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে এ ধরনের পাঁচ বাইকারের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসময় ছয় জনকে আটক এবং তাদের ব্যবহৃত পাঁচটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার বাজার দাম আনুমানিক তিন কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার(৬ আগস্ট) র্যাবের একটি দল এই বাইকার গ্যাংকে গ্রেপ্তার করে। র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক বাইকার ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার হতে মোটরসাইকেলযোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বেলা সোয়া ১১টার দিকে র্যাবের একটি দল পটিয়া থানাধীন পটিয়া সরকারি কলেজ জামে মসজিদের বিপরীত পাশে সুলতান হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে। এসময় ৫টি মোটরসাইকেলসহ ৬ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে চারজনের বাড়ি রামু উপজেলায়। তারা হলেন, রামু থানাধীন ঘোনার পাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের পুত্র মো. বশির (৩৮) এবং একই পাড়ার মৃত রশিদ আহম্মদের পুত্র মো. হোসেন (৩৭)। একই থানাধীন আমতলীয়া পাড়ার মৃত দীন মোহাম্মদের পুত্র মো. সাইফুল (২৪) এবং পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামের মৃত জাফর আহমদের পুত্র মো. হাসান (২৯)। গ্যাং এর বাকি দুই সদস্য হলেন, কক্সবাজার সদর থানার ফরিদ আলমের পুত্র বেলাল উদ্দিন(৩২) এবং ঈদগাঁও থানাধীন মধ্যম নাপিতখালী গ্রামের মৃত ছিদ্দিক আহম্মদের পুত্র নুরুল মোস্তফা(২৭।
দুপুরে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মাদককারবারিদের মোটরসাইকেল তল্লাশি করে মোটরসাইকেলের বক্সের ভেতর ব্যাগে বিশেষ কৌশলে স্কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় আনুমানিক ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কাজ চলছে।