মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‎৪৯ বিজিবির অভিযানে আইসিপি সীমান্তে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক ‎ বোয়ালখালীতে ট্রেনের সঙ্গে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষ, আহত চালক ইপিজেডে যুবদলের অফিস উদ্বোধনকালে হোসেন টিটু- সবার আগে বাংলাদেশ আব্দুল্লাহ’র সিনিয়র দল ১ গোলে জিতেছে… প্রীতি ম্যাচে সীধু’র জুনিয়র দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছে আমতলীতে অসহায় পরিবারের পাশে মানবতার হাত বাড়াল জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্ধোধন: প্রধান অতিথি ক্যাপ্টেন অবঃ আশরাফুল আলম বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ‎আইসিপি চেকপোষ্ট সীমান্তে ২৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত: সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক কাদের উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন সম্পন্ন

চট্টগ্রামের বাজারে ১৫৫ কেজির বিশাল কোরাল, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে ১৫৫ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ। সচরাচর এত বড় কোরাল মাছ দেখা না যাওয়ায় সেটি দেখতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও উৎসুক সাধারণ মানুষ। অনেকে মাছটির সঙ্গে ছবি তুলছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা থেকে মাছটি চট্টগ্রামে আনা হয়। প্রায় ছয় ফুট লম্বা মাছটি সতেজ রাখতে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাজারে আনার পর থেকেই মাছটি ঘিরে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

মাছটির বিক্রেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন উপকূল এলাকায় একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। বিশাল আকৃতির হওয়ায় ট্রলার থেকে ক্রেনের সাহায্যে মাছটি পিকআপ ভ্যানে তোলা হয়। পরে কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে এনে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল সেটি পিকআপ থেকে নামিয়ে দোকানে তোলে।

তিনি বলেন, মাছটির প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মাছটি কেটে খুচরা বিক্রি করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, বাংলাদেশে কোরাল অত্যন্ত মূল্যবান সামুদ্রিক মাছ। এর কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। ছবি দেখে এটি কোরাল শ্রেণির মাছ বলেই ধারণা করা যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে অনেকেই এটিকে ‘কৈ কোরাল’ নামে চেনেন। তবে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ছাড়া এর বৈজ্ঞানিক পরিচয় নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মাছটির শরীর চ্যাপ্টা ও কিছুটা গোলাকার। পিঠ ও পেছনের পাখনা লেজের দিকে বিস্তৃত থাকায় দূর থেকে দেখতে তিনটি লেজ রয়েছে বলে মনে হয়। এছাড়া শরীরজুড়ে থাকা বাদামি ছোপও কৈ কোরাল প্রজাতির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews