পুলিশ পরিচয়ে সোহরাব হোসেনকে অপহরণ পুনরায় বারহাট্টায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, দুই ভুয়া পুলিশ কারাগারে

মোঃ নুরুল হুদা পারভেজ নেত্রকোনার বারহাট্টা
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম।
জানা যায়, গত শনিবার নিজ গ্রামের পাশ থেকে সোহরাব হোসেনকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে তাকে কলমাকান্দা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় জনতার সন্দেহ হলে অপহরণকারীদের আটক করে কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে সিজন মিয়া ও সুজাত মিয়া নামে দুইজনকে রোববার (৮ জুন) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোনার ঠাকুরাকোনা এলাকায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, অপহরণকারীদের কাছ থেকে দুটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ এবং পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এ ঘটনায় সোহরাব হোসেনের পাশের বাড়ির বন্ধু মামুন মিয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। মামুন মিয়া একই গ্রামের লাক মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
সোহরাব হোসেন এর পরিবার ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানায়।
এই বিষয়ে চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন পুলিশ পরিচয়ে সোহরাব হোসেন কে অপহরণ করে একটি চক্র। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।
বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম বলেন, চন্দ্রপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন নামের যুবককে অপহরণ করে কলমাকান্দা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সাধারণ মানুষের সন্দেহ হলে তারা অপহরণকারীদের আটক করে কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে আটক দুইজনকে বারহাট্টা থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোহরাব হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু হয়েছে। দুইজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।